Monday July 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১ এ ০৪:৫৯ PM

ঘটনাপুঞ্জ

কন্টেন্ট: গল্প নয় সত্যি

মিনারা বেগমের দিন বদলের কথা

বগুড়া জেলায় সদর পেজেলাধীন ছোট কুমিড়া সরদার পাড়া গ্রামের একজন স্থায়ী বাসিন্দা মিনারা বেগম। তার স্বামী মোঃ জহুরুল উসলাম পেশায় ছিলেন তৈরী খাবার এর ফেরিওয়ালা। তাদের সংসারে অভাব অনটন লেগেই থাকত। অনাহারের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে শেষ সম্বল ভিটামাটি বন্দক দিয়ে সর্বশান্ত হতে চলেছিল এই পরিবারটি। ঠিক এমনি এক সম্কটময় মুহুরর্তেমোছাঃ মিনারা বেগম 14/08/2005 খ্রিঃ বিআরডিবি‘র সদাবিক দলের সদস্য হয়ে প্রথমে 7,000/- (সাত হাজার) টাকা ঋণ গ্রহণ করেন।তরঃপর বড় ছেলেকে সাথে নিয়ে তিনি ন্বামীর সংঙ্গে সাইকেলের টিউব কেটে ওয়াসা তৈরীর কাজ পেশা হিসাবে গ্রহন করেন। পর্যয়ক্রমে তিনি সদাবিক দল হতে 10,000/- হতে 12,000/- টাকা এবং সর্বশেষ 35,000/-(পয়ত্রিশ হাজার) টাকা ঋণ গ্রহন করেন। ঋণের টাকা তিনি এ পেশায় সাফল্যজনকভাবে বিনিয়োগ করেন। এ পর্যন্ত তিনি 12 দফায় সর্বমোট 1,32,000/- টাকা ঋণ গ্রহন করেন। বর্তমানে তার নিজস্ব সঞ্চয় জমার পরিমান 8,780/- টাকা। তিনি বর্তমানে স্বামী, মা ,ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বানিজ্যিকভাবে সাকেইল টিউব থেকে ওয়াসার তৈরীর ও প্যাকেট জাত করে স্থানীয় বাজার এবং পাশ্র্ববর্তী বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করেন। এ পেশায় তার মাসিক আয় কমপক্ষে 24,000/- টাকা থেকে 25,000/- টাকা। বর্তমানে তার মূলধনের পরিমান 50,000/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

মরিয়ান বেগম একজন দারিদ্র জয়ী নারী

স্বপ্নকে কর্ম দিয়ে জয় করা আত্নাপ্রত্যয়ী এক নারীর নাম মরিয়ান বেগম। স্বামী আবুল হোসেন মোড়ল, গ্রামঃ সন্ন্যাসগাছা পোঃ গৌরীঘোনা ইউনিয়ন, উপজেলা ঃ কেশবপুর, জেলাঃ যশোর। দরিদ্র পরিবারের কন্যা মরিয়ানের বিয়ে হয় 8ম শ্রেনীতে পড়া অবস্থায়। তার প্রথম সন্তান জন্ম নেয় মাত্র 14 চৌদ্দ বছর বয়সে। তাঁর স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শিখে বড় হয়ে চাকুরী করবে। কিন্তু বিয়ের সাথে সে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়্ স্বামী পেশায় ছিলেন দিন মজুর্ তাই দেনিক মজুরীর টাকায় অভাব অনটনের মাঝে কোন রকমে চলছিল তার সংসার। ঠিক এমন সময়ে পরি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন